মঠবাড়িয়া খাসমহল লতীফ ইনস্টিটিউশন

পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৮০টি ভুল : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় খাসমহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে প্রায় ৭০-৮০টি বানান ভুল নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি প্রশ্নপত্রে কীভাবে এতগুলো ভুল থাকে—এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

‎মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

Location :

Pirojpur
পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৮০টি ভুল : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক
পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৮০টি ভুল : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক |নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় খাসমহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে প্রায় ৭০-৮০টি বানান ভুল নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি প্রশ্নপত্রে কীভাবে এতগুলো ভুল থাকে—এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

জানা গেছে, বুধবার সকালে ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণের পরে ভুলগুলো লক্ষ করা যায়। ভুলে ভরা প্রশ্নপত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড দিলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে প্রায় ৭০-৮০টি বানান ভুল। এছাড়া গতকালের দশম শ্রেণির ২০২৬ সালের প্রাক-নির্বাচনী 'বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা' প্রশ্নপত্রে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রশ্ন আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও অভিভাবকরা।

স্থানীয় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের মান যদি এই হয়, তাহলে লেখাপড়ার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই কিছু কুচক্রী মহল এমন ভুলে ভরা প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। বিষয়টা খতিয়ে দেখতে হবে।

এ বিষয়ে খাসমহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন আমরা নিজেরা প্রণয়ন করি না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষার দিনই তা খোলে। আগে থেকে প্রশ্ন দেখার কোনো সুযোগ থাকে না।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের প্রশ্ন বাইরে থেকে করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের কাছ থেকেই প্রশ্ন নেওয়ার কথা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে চলা উচিত ছিল। তাছাড়া বানান ভুলের ছড়াছড়ির বিষয়টিও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির প্রশ্নটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।