পটুয়াখালীর পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। গত দুই দিনের তুলনায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা, যা শীতের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
খুব ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের কোনো দেখা মিলছে না। ফলে দিনের বেলাতেও যানবাহন চলাচলে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে দৃষ্টিসীমা ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৯টায় কলাপাড়া উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় কুয়াশার দৃষ্টিসীমা ছিল ৫০ মিটারেরও নিচে এবং বাতাসের আদ্রতা ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ।
ঘন কুয়াশা ও হিম বাতাসে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালক, দিনমজুর, শ্রমজীবী মানুষ ও কৃষকরা। শীতের তীব্রতায় অনেককে খড়কুটো ও জ্বালানি পুড়িয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। নিম্ন আয়ের মানুষদের কষ্ট যেন আরো বেড়েছে।
এদিকে শীতের প্রভাবে কুয়াকাটাসহ আশপাশের এলাকার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে আসছেন।
আবহাওয়া পরিস্থিতি আরো কয়েকদিন এমনই থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন। এ অবস্থায় শীতার্তদের জন্য পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণসহ প্রয়োজনীয় সতর্কতা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।



