বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো: মনির সরদারকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ মার্চ) রাত ১১ টার দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জনা গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে— বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো: মনির সরদারকে সংগঠনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সাথে কোনোরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
কী কারণে মনিরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি বিজ্ঞপ্তিতে।
গত শনিবার চাঁদাবাজির আভিযোগে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনির সরদারকে পুলিশ আটক করেছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার শোলক ইউনিয়নের দক্ষিণ ধামুরা গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগে তার বিরুদ্ধে উজিরপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ড্রেজার ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম এসব বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মনির সরদারের বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে না।
ড্রেজার ব্যবসায়ী মনিরুল থানায় দেয়া আভিযোগে জানান, তিনি উজিরপুরের শোলক ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বালু ভরাট ব্যাবসার কাজ করেন। ছাত্রদল আহ্বায়ক মনির সরদার তার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও পরে বিকাশে ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়। বাকী টাকার দাবিতে গত শুক্রবার মনির সরদারের নেতৃত্বে তার লোকজন ড্রেজার শ্রমিক আবু বক্করকে তুলে নিয়ে হাতুড়িপেটা করেছে। তিনি বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযোগে মনির সরদার ও তার সহযোগী দীন ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চাঁদাবাজীর অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে মনির সরদারকে সেনাবাহিনী আটক করেছিল। কয়েকদিন কারাভোগ করে তিনি মুক্তি পান।



