খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খুলনা সার্কিট হাউজে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন সভায় যোগদান করেন।

এরশাদ আলী, খুলনা ব্যুরো

Location :

Khulna
খুলনা শিপইয়ার্ড পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব
খুলনা শিপইয়ার্ড পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব |নয়া দিগন্ত

খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। শনিবার (৪ জুলাই) পরিদর্শনকালে প্রকল্পের প্রধান সড়ক, চারটি সুইচগেট, প্রকল্প এলাকার ম্যাপ, রূপসা সেতুর প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন ব্রিজ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রকল্প এলাকার জনসাধারণের সাথে কথা বলেন তিনি।

সড়কটির উন্নয়ন কাজ এক যুগ আগে শুরু হয়ে আর শেষ হয়নি। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঠিকাদারের সাথে কন্ট্রাক্টও বাতিল করে দেয়া হয়। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর একটি শিপইয়ার্ড রোড সেই এলাকার মানুষদের স্থায়ী ভোগান্তির কারণ হয়ে রয়েছে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খুলনা সার্কিট হাউজে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন সভায় যোগদান করেন। এর আগে তিনি সার্কিট হাউজ চত্বরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নজরুল ইসলাম, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) হুরে জান্নাত, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেডিএ চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম মনা, প্রকল্প পরিচালক মো: আরমান হোসেনসহ বিভাগীয়, জেলা প্রশাসন ও কেডিএ-র কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ৯ জুন অনুষ্ঠিত একনেক সভায় খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের (তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব) প্রকল্পের ব্যয় ও কাজের সময় কেন বারবার বাড়ানো হচ্ছে তা জানতে চেয়ে অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রায় ১৩ বছর ধরে নগরীর রুপসা ট্রাফিক মোড় থেকে রূপসা ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের অস্বাভাবিক বিলম্ব ও ব্যয় বৃদ্ধিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের ব্যয় ৯৮ কোটি টাকা থেকে তিন দফায় বাড়িয়ে ২৬০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল।