বানারীপাড়ায় নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজের বিভিন্ন মালামালসহ সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো: জিহাদ আকন (১৯) ও তার সহযোগী মো: সানিকে (২২) আটক করেছে। পরে ব্রিজ নির্মাণের মালামাল চুরির ঘটনায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
বানারীপাড়া ফেরিঘাট সংলগ্ন নতুন ব্রিজ এলাকার খালের সন্ধ্যা নদীর মোহনা থেকে থেকে রাত ৩টায় লোহার রেল পাটি, অক্সিজেন, গ্যাস সিলিন্ডার, ডিজেল ইঞ্জিন, ব্রিজের কাজের অন্যান্য আসবাবপত্র ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদিসহ ট্রলার যোগে নিয়ে যাওয়ার তাদের আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানারীপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) শতদল মজুমদার। এ ঘটনায় জিহাদ ও সানিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে বানারীপাড়া থানার পুলিশ একটি চুরির মামলা দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সিদ্ধার্থ জানান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার দিবাগত গভীর রাতে বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের গাভা থেকে ব্রিজ নির্মাণের বিভিন্ন মালামাল চুরি করে ট্রলার যোগে সন্ধ্যা নদীর দিকে পালিয়ে যাচ্ছে এমন তথ্য আসে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ধরার জন্য পুলিশের একটি দল ট্রলার নিয়ে বানারীপাড়া ফেরিঘাট সংলগ্ন নতুন ব্রিজের নিচে, সন্ধ্যা নদীর মোহনায় পাহারা দিতে থাকেন। রাত ৩টার দিকে চুরির মালামালসহ ওই ট্রলার সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন নতুন ব্রিজের নিচে আসলে পুলিশ ব্রিজের জন্য ব্যবহৃত ৪টি রেল পাটি, ১টি ডিজেল ইঞ্জিন, ১টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, বিভিন্ন আসবাবপত্র ও চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ বানারীপাড়া সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো: জিহাদ আকন ও তার সহযোগী মো: সানিকে আটক করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ছাত্রদল নেতা সানি ও তার সহযোগী জিহাদ জানায়, তারা গাভা থেকে চুরি করে ব্রিজের ওই মালামালগুলো নিয়ে এসেছে। জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা এর সাথে আরো কয়েকজনের নাম বলেছে, যেগুলো তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান।
এ ব্যাপারে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মজিবর রহমান জানান, চুরির ঘটনায় ২৬ ফেব্রুয়ারি আটককৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশ একটি চুরির মামলা দায়ের করেছে। মামলার আসামি মো: সানি ও জিহাদ আকনকে ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বরিশাল জেলা কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে, এর সাথে অন্যান্য জড়িতদের ব্যাপারে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



