সাদাপাথরে লুটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উচ্চতর তদন্ত কমিটি

আগামী ১০ দিনের মধ্যে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আবদুল কাদের তাপাদার, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
পাথর লুটের পর সিলেটের সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র
পাথর লুটের পর সিলেটের সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র |নয়া দিগন্ত

সিলেটের সাদাপাথরে পাথর লুটের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগামী ১০ দিনের মধ্যে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিকে, সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্রে পাথর লুটের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এতে মোট ১৩৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে কিছু পর্যবেক্ষণ এবং ১০টি সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সিলেটের ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেলে সারাদেশে হৈচৈ পড়ে। সাদাপাথর থেকে চার কোটি ঘনফুটেরও বেশি হাজার কোটি টাকার পাথর লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যৌথবাহিনী গত কয়েক দিন অভিযান চালিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ ঘনফুট পাথর উদ্ধার করে তা আবার সাদাপাথরে প্রতিস্থাপনের কাজ অব্যাহত রেখেছে।

বুধবার বিকেলে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদের কাছে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ।

জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিবেদনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেছে। ঘটনাটি প্রকাশিত হলে দেশ-বিদেশে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে গত ১২ আগস্ট জেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ। সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুন্নাহার (সম্প্রতি বদলি হয়েছেন) এবং পরিবেশ অধিদফতর সিলেটের সহকারী পরিচালক মো: আফজারুল ইসলাম।