সিন্ডিকেটের বেড়াজালে নলডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস

নাটোরের নলডাঙ্গার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

নলডাঙ্গা (নাটোর) সংবাদদাতা

Location :

Natore
সিন্ডিকেটের বেড়াজালে নলডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস
সিন্ডিকেটের বেড়াজালে নলডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস |নয়া দিগন্ত

নাটোরের নলডাঙ্গার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

সাব-রেজিস্ট্রার অফিস চালু হবার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চলা দালাল ও দলিল লেখকদের সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ফি আদায় ও অস্পষ্ট প্রক্রিয়ার কারণে সাধারণ ভূমি মালিকরা সেখানে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছে।

রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দেড় বছর অতিবাহিত হয়েছে, ইতোমধ্যে নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকার গঠন হয়েছে, তবুও ভূমি অফিসের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমেনি মর্মে অভিযোগ ভূমি মালিকদের। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ভোগান্তির শিকার স্থানীয়রা ভূমি মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে জানা যায়।

নলডাঙ্গায় জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অস্থায়ী কার্যালয়ে অফিসটি চালু হয় ২০২৪ সালের ৫ মার্চ।

মোস্তাফিজুর রহমান, মনিরুল ইসলামসহ দলিল করতে আসা ভূমি মালিকদের অনেকে জানান, এ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ভূমি মালিকরা দলিল লেখকদের সিন্ডিকেটের উপর নির্ভর করতে হয়। সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ফি আদায় ও অস্পষ্ট প্রক্রিয়া চলমান আছে।

সচেতন ভূমি মালিকরা মনে করেন, রেজিস্ট্রেশন ফির তালিকা স্থাপন করলে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সিন্ডিকেটের আধিপত্য কমে আসবে, রেজিস্ট্রেশন খরচে স্বচ্ছতা তৈরি হবে এবং ভূমি মালিকেরা প্রতারণা থেকে রক্ষা পাবেন।

এ বিষয়ে নলডাঙ্গার সাব-রেজিস্ট্রার মোছা: আয়শা সিদ্দিকা বলেন, বাংলাদেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলিলের শ্রেণি ও জমির ধরন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন ফির সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে টানানো বাধ্যতামূলক। ফলে কোনো জমির দলিল করতে স্ট্যাম্প, রেজিস্ট্রেশন ফি, আইটি সার্ভিস চার্জসহ মোট কত টাকা খরচ হবে তা সবই ভূমি মালিকরা আগে থেকে জানতে পারবেন।

তিনি বলেন, নলডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসটির অস্থায়ী জায়গা নাটোর জেলা পরিষদের আওতাধীন। অফিসটি অল্প দুই বছর আগে চালু হলেও সবকিছু এখনো গুছিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। তবে অচিরেই নিয়ম অনুযায়ী দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি’র তালিকা স্থাপন করা হবে।