চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় সালমা আক্তার (৩২) নামে এক বাকপ্রতিবন্ধী স্ত্রীকে হত্যা করেছে তার স্বামী। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার দোহাজারী পৌরসদরের জামিরজুরি ঘোড়াপাড়ার লেবু বেপারী শামসুল আলমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে ঘাতক স্বামী নুরুল হুদা (৩৭) পালিয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক ইলিয়াস খান।
স্থানীয় প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে, একই বাড়ির মরহুম শামসুল আলমের মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী সালমা আক্তারের সাথে ইসাক মিয়ার ছেলে নুরুল হুদার বিয়ে হয়। নুরুল হুদা পেশায় গাড়ির হেলপার। তাদের তিন কন্যাসন্তান ছিল। এর মধ্যে দুই কন্যা শিশুকে অন্যত্র বিক্রি করে দেয় নুরুল হুদা। বড় মেয়ে নুরজাহান (৪) নানির সাথে থাকেন। কয়েকদিন আগে সালমার ওরশে আরো একটি শিশুকন্যা জন্মগ্রহণ করে। গত রাতে ঘাতক নুরুল হুদা সালমা আক্তারকে প্রহার করে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে আজ দুপুরে লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
চন্দনাইশ থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো: ইলিয়াছ খান জানান, স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ গোপনে দাফন করা হচ্ছে ৯৯৯-এ এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরো জানান, ঘাতক নুরুল হুদা ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।



