বিভাগীয় কমিটির সভায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের সিদ্ধান্ত

পাইলটিংয়ে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় ৩২১৬ জন পেলেন ফ্যামিলি কার্ডের টাকা

রংপুর বিভাগের ৫ উপজেলায় পাইলটিং পর্যায়ে ৩ হাজার ২১৬ জনকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছে। এছাড়া আরো ৪৮ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকে।

সরকার মাজহারুল মান্নান, রংপুর ব্যুরো

Location :

Rangpur
পাইলটিংয়ে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় ৩২১৬ জন পেলেন ফ্যামিলি কার্ডের টাকা
পাইলটিংয়ে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলায় ৩২১৬ জন পেলেন ফ্যামিলি কার্ডের টাকা |নয়া দিগন্ত

রংপুর বিভাগের ৫ উপজেলায় পাইলটিং পর্যায়ে ৩ হাজার ২১৬ জনকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছে। এছাড়া আরো ৪৮ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন কার্যক্রম সংক্রান্ত রংপুর বিভাগীয় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কমিটির সভায় এই তথ্য জানানো হয়।

দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম।

অংশ নেন কমিটির সদস্য অতিরিক্ত ডিআইজি (অব.), বিভাগীয় সমাজসেবা পরিচালক জিলুফা সুলতানা, বিভাগীয় পরিসংখ্যান অফিসের যুগ্ম পরিচালক শফিকুল ইসলাম, আইসিটি বিভাগীয় কর্মকর্তা, যমুনা টেলিভিশনের রংপুর ব্যুরো প্রধান সরকার মাজহারুল মান্নান, পলাশসহ ৭ জন। সাচিবিক সহযোগিতা করেন বিভাগীয় সমাজসেবা অফিসের সহকারী পরিচালক ময়নুল হক।

সভায় বলা হয়, প্রথম পর্যায়ে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের জয়পুর ইউনিয়নের ৫৬০ জন ও ঠাকুরগাঁও সদরের রহিমানপুর ইউনিয়নের ৫৯০ জন; দ্বিতীয় পর্যায়ে লালমনিরহাটের সদরের কুলাঘাট ইউনিয়নে ৯২০ জন ও রংপুরের পীরগঞ্জের চতরা ইউনিয়নে ৬৬৫ জন এবং তৃতীয় পর্যায়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নে ৪৮১ জনের মাঝে সফলভাবে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন হয়েছে। এতে মোট ৩ হাজার ২১৬ জন সংযুক্ত হয়েছেন। তাদেরকে মে ও জুন মাসে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মোবাইলের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, পাইলটিং পর্যায়ে সফলতার পর এবার রংপুর বিভাগের আট জেলায় ৪৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯৮টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহের জন্য ৭ হাজার ৭৪ জন তথ্যসংগ্রহকারী এবং ৬৬৮ জন সুপারভাইজার নিয়োগের কার্যক্রম চলমান। ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হবে। আগামী মাস থেকে তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘তথ্য সংগ্রহের পর পিএমটি স্কোরিং ও কোয়ান্টাইল অনুযায়ী নির্বাচিত ভাতাভোগীদের মাঝে প্রতি মাসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে মোবাইলে যাবে। এর মধ্যে ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক দর্শনের আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন হবে।’ সভায় স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে বিভিন্ন ধরণের দিকনির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত দেন বিভাগীয় কমিশনার।