চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় শাহাদাত হোসেনের (৩০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এজাহারভুক্ত এক আসামিসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন এজাহারভুক্ত আসামি উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের জনার কেঁওচিয়া মাদার বাড়ি এলাকার ফরুখ চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার মরহুম ছৈয়দ আহম্মদের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম (৩১) ও সন্দেহভাজন আসামি লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের জঙ্গল পদুয়া হোসেন সিকদার পাড়া এলাকার মাওলানা ফয়েজ আহম্মদের ছেলে মো: ইসমাইল (২৭)।
নিহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর ঢেমশা মাইজপাড়া এলাকার সোলাইমান মৌলভির বাড়ি এলাকার মরহুম মোহাম্মদ শফির ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের মা ছায়েরা খাতুন সাতকানিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ইতোমধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য পলাতক আসামিদেরকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, রোববার রাত ১১টার দিকে উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের দক্ষিণ ঢেমশা এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া রাস্তারমাথা মডেল মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নিজের চায়ের দোকানের সামনে বসে ছিলেন শাহাদাত। এ সময় একদল মুখোশধারী সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলে আসে লোহার রড, হকিস্টিক, লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে শাহাদাতকে মারধর করতে থাকে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কেরানীহাট আশশেফা হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং পরে চট্টগ্রাম নগরের ন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।



