যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ছয় দিনে ১৫টি চালানে ৫৮টি ট্রাকে দুই হাজার ১০০ টন (নন বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভারতীয় আমদানিকৃত চালের একটি চালানে তিনটি ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছয় কার্যদিবসে দুই হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স ও মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।
বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্ট-নভেম্বর এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ছয হাজার ১২৮ টন। চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যার সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ দাম পড়ছে ৫০ টাকা।
বেনাপোল বন্দরের বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ছয় দিনে ৫৮টি ট্রাকে দুই হাজার ১০০ টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।



