ডা. শফিকুর রহমান

দায়িত্বশীলদের ‘কাঁচা’ বক্তব্য সমাজকে অস্থির করছে

কয়েক দিন ধরে দেশে কিছু বিদ্যমান সমস্যা আমরা দেখতে পাচ্ছি। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তারা যেন যথাযথ মনোযোগ দেন। সরকারদলীয় কেউ যেন দায়িত্ব নিয়ে অপরাধীদের পাশে না দাঁড়ান।

আবদুল কাদের তাপাদার, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet

সরকারি দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও মন্ত্রী পর্যায় থেকে দেয়া ‘কাঁচা’ কথাবার্তা সমাজকে অস্থির করে তুলছে এবং অপরাধকে উসকে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ।

তিনি বলেন, এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে দেশ ভালো দিকে যাবে কীভাবে?

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুমা সিলেট নগরীর কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন হলে দেশে স্থিতিশীলতা আসবে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দায়িত্ব মূলত সরকারকেই নিতে হবে। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—সরকার ভালো কোনো উদ্যোগ নিলে অবশ্যই আমরা সমর্থন দেবো। কিন্তু সরকার যদি জনগণের ক্ষতি করে, পরিবেশের ক্ষতি করে কিংবা আল্লাহর দ্বীনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, সেখানে আমরা ছাড় দিয়ে কথা বলব না।

তিনি আরো বলেন, কয়েক দিন ধরে দেশে কিছু বিদ্যমান সমস্যা আমরা দেখতে পাচ্ছি। মানুষের জীবনের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তারা যেন যথাযথ মনোযোগ দেন। সরকারদলীয় কেউ যেন দায়িত্ব নিয়ে অপরাধীদের পাশে না দাঁড়ান। সরকারি দলের লোকেরা যদি অপরাধীদের পক্ষে অবস্থান নেন, তাহলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। তারা যদি সদিচ্ছার পরিচয় দেন, তাহলে সমাজ ভালো হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর নিজ এলাকায় আগমনের অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আসিনি, আমি শফিকুর রহমান হিসেবেই এসেছি। আমি আপনাদের মানুষ, আপনাদের মানুষ হিসেবেই এসেছি—এটাই আমার অনুভূতি।

১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির অভিসংশন জানাবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের আমির বলেন, এ বিষয়ে এখনো দলীয় ফোরামে বড় পরিসরে আলোচনা হয়নি। আমরা আলোচনা করে দেশের জন্য যা কল্যাণকর ও মঙ্গলজনক হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবো।