ঈশ্বরদীতে সংঘর্ষ : লুট হওয়া জামায়াতের ৯ মোটরসাইকেল উদ্ধার

হামলার সময় ১০টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং প্রায় ৪০টি মোটরসাইকেল লুট করে নিয়ে যায় বিএনপি কর্মীরা।

শহীদুল্লাহ খান, ঈশ্বরদী (পাবনা)

Location :

Pabna
বাঁশঝাড় ও জঙ্গল থেকে লুট হওয়া মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয়
বাঁশঝাড় ও জঙ্গল থেকে লুট হওয়া মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয় |নয়া দিগন্ত

পাবনার ঈশ্বরদীতে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার পরে জামায়াত নেতাকর্মীদের অসংখ্য মোটরসাইকেল লুট করা হয়। লুট হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে ৯টি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়া বাকি মোটরসাইকেলগুলোও উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) মোটরসাইকেল উদ্ধারের বিষয় নিশ্চিত করেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার।

এর আগে শনিবার বিকেলে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি এলাকার মক্কেল মৃধার বাড়ির পাশের বাঁশঝাড় ও জঙ্গল থেকে এসব মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে অংশ নেয় পাবনা ডিবি পুলিশ, ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও পাকশী ও রুপপুর ফাঁড়ির সদস্যরা।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো ঈশ্বরদী থানায় জমা দেয়া হয়েছে।’

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এ বি এম মনিরুল ইসলাম জানান, ‘সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক ও জামায়াতের করা মামলার প্রধান আসামি মক্কেল মৃধার বাড়ির পাশ থেকে মোটরসাইকেলগুলো পাওয়া যায়। বাকি মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়িতে নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে বিএনপি নেতা মক্কেল মৃধার নেতৃত্বে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় অর্ধশতাধিক জামায়াত নেতাকর্মী আহত হন। জামায়াতের দাবি, হামলার সময় ১০টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং প্রায় ৪০টি মোটরসাইকেল লুট করে নিয়ে যায় বিএনপি কর্মীরা।

ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের আমির ড. নুরুজ্জামান প্রামাণিক বলেন, ‘আমাদের এখনো বহু মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়নি। দ্রুত বাকিগুলো উদ্ধারে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।’