সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজের ১১ দিন পর নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

মা মৃগী রোগে আক্রান্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ থাকার কোনো এক সময়ে তিনি অসুস্থ হয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে মারা যেতে পারেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ নেই।

রেজাউল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)

Location :

Sundarganj
নিহত শিউলী বেগম
নিহত শিউলী বেগম |নয়া দিগন্ত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের ১১ দিন পর শিউলী বেগম (৩৮) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের চর খোদ্দা এলাকার বুড়াইল নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিউলী বেগম চর খোদ্দা গ্রামের শরিফুল ইসলামের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, শিউলী বেগম দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ভুগছিলেন। গত ৯ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরে স্বজনরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ১৫ ডিসেম্বর সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, বুড়াইল নদীর বাঁশের চরাটের নিচে এক নারীর লাশ পড়ে ছিল। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি শিউলী বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

নিহতের ছেলে মো: রেজোয়ান মিয়া জানান, তার মা মৃগী রোগে আক্রান্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, নিখোঁজ থাকার কোনো এক সময়ে তিনি অসুস্থ হয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে মারা যেতে পারেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ নেই।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় এবং স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’