লক্ষ্মীপুরে জামায়াতের ইফতার বিতরণ

‘প্রান্তিক শ্রেণির রোজাদারদের জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে’

রমজানের প্রকৃত শিক্ষা বাস্তবজীবনে প্রতিফলন ঘটিয়ে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভে আত্মনিয়োগ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Lakshmipur
লক্ষ্মীপুরে জামায়াতের ইফতার বিতরণ
লক্ষ্মীপুরে জামায়াতের ইফতার বিতরণ |নয়া দিগন্ত

রমজানের প্রকৃত শিক্ষা বাস্তবজীবনে প্রতিফলন ঘটিয়ে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভে আত্মনিয়োগ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) লক্ষ্মীপুরে তেওয়ারিগঞ্জ ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে তেওয়ারিগঞ্জ ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা মাঠে স্থানীয় ২৭০ পরিবারের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউনিয়ন আমির ডা: রাজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান। উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন সেক্রেটারি কাউসার হামিদ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রেজাউল করিম বলেন, বাস্তবজীবনে আমরা যাতে তাকওয়ার নীতি অবলম্বন করতে পারি, এজন্য আমাদের উপর সিয়াম পালনকে অত্যাবশ্যকীয় করা হয়েছে। এ বিষয়ে পবিত্র কালামে হাকিমের সূরা আল বাকারাহর ১৮৩ আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ বা অত্যাবশ্যকীয় করা হয়েছিলো, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ তাই মাহে রমজানে যথাযথভাবে সিয়াম ও কিয়াম পালনের মাধ্যমে তাকওয়া ও তাজকিয়া অর্জন সকলকে ব্রতি হতে হবে।

এসময় তিনি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

জামায়াত নেতা বলেন, একটি আদর্শবাদী, গণমুখী ও ইসলামী আদর্শের সংগঠন জামায়াত। এটি প্রচলিত কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয় বরং আর্ত-মানবতার কল্যাণকামীতাই সংগঠনটির মূল আদর্শ ও লক্ষ্য। তাই আমরা মানুষের কল্যাণ ও মুক্তির ক্ষেত্রে সব সময় আপসহীন। সে ধারাবাহিকতায় আজ আমরা প্রান্তিক শ্রেণির রোজাদারদের জন্য সামান্য কিছু হাদিয়া নিয়ে হাজির হয়েছি। যা প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই অপ্রতুল। আমাদের সাধ অনেক হলেও সাধ্য খুবই সীমিত। আমরা আশা করি আপনারা আমাদের নগন্য হাদিয়া গ্রহণ করে আমাদের প্রতি আন্তরিকতা ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন। এতে কেউ ন্যুনতম উপকৃত হলে আমাদের শ্রম সার্থক হয়েছে বলে মনে করবো।’

তিনি প্রান্তিক শ্রেণির রোজাদারকে রোজা পালন সহজ ও সাবলীল করতে সমাজের বিত্তবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।