ময়মনসিংহে হোটেল-রেস্টুরেন্টে মানহীন খাবারের অভিযোগ, নেই দৃশ্যমান অভিযান

শহরের অনেক হোটেলে নিম্নমানের এমনকি বাসি-পচা খাবারও পরিবেশন করা হচ্ছে। কোথাও ঘাস কার্প মাছকে রুই মাছ বলে বিক্রি করা হচ্ছে, কোথাও মরা মুরগি রান্না করে পরিবেশনের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি গ্রিল মুরগির আকর্ষণীয় রং আনতে কাপড়ের রং ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে।

মো: সাজ্জাতুল ইসলাম, ময়মনসিংহ

Location :

Mymensingh
ময়মনসিংহের ম্যাপ
ময়মনসিংহের ম্যাপ |ফাইল ছবি

ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন ছোট, মাঝারি ও পরিচিত হোটেল-রেস্টুরেন্টে দীর্ঘদিন ধরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের দৃশ্যমান কোনো অভিযান না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। খাবারের মান ও দামের অসামঞ্জস্য নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

ভুক্তভোগী ক্রেতাদের অভিযোগ, শহরের অনেক হোটেলে নিম্নমানের এমনকি বাসি-পচা খাবারও পরিবেশন করা হচ্ছে। কোথাও ঘাস কার্প মাছকে রুই মাছ বলে বিক্রি করা হচ্ছে, কোথাও মরা মুরগি রান্না করে পরিবেশনের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি গ্রিল মুরগির আকর্ষণীয় রং আনতে কাপড়ের রং ব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগও উঠেছে। অথচ এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান নজরদারি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা খুব একটা চোখে পড়ছে না।

অভিযোগ রয়েছে, শহরের নামকরা কিছু হোটেল-রেস্টুরেন্টেও মান নিয়ন্ত্রণ কিংবা নির্ধারিত মূল্য তালিকা যাচাইয়ের কার্যকর তদারকি নেই। ফলে ক্রেতাদের কাছ থেকে অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছেমতো দাম আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, খাদ্যের মান ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মনিটরিং কোথায়? দীর্ঘদিন ধরে অভিযান না হওয়ার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি-না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।

সচেতন মহল বলছে, বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়লেও তার অজুহাতে ইচ্ছেমতো দাম নেয়া বা মানহীন খাবার পরিবেশন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনস্বার্থে দ্রুত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, খাবারের মান পরীক্ষা এবং অভিযানের প্রতিবেদন প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা। নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা।