শহীদ বেদিতে এসে নিজ নামে পুষ্পস্তবক না পেয়ে বিব্রত মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে নিজ নামে আলাদা পুষ্পস্তবক না পেয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন নবনির্বাচিত এমপি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

সাব্বির আহমেদ লাভলু, লালমনিরহাট

Location :

Lalmonirhat
নিজ নামে পুষ্পস্তবক না দেখে বিব্রত মন্ত্রী দুলু
নিজ নামে পুষ্পস্তবক না দেখে বিব্রত মন্ত্রী দুলু |নয়া দিগন্ত

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে নিজ নামে আলাদা পুষ্পস্তবক না পেয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন নবনির্বাচিত এমপি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিনি জেলা প্রশাসকের দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘আমার পুষ্পস্তবক কই? আমি তো প্রশাসনিক কোনো লোক না।’

মন্ত্রীর পক্ষ থেকে পৃথক পুষ্পস্তবকের ব্যবস্থা না থাকায় মুহূর্তটি নিয়ে তাৎক্ষণিক অস্বস্তি তৈরি হয়। এ সময় তার দলীয় নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতেও দেখা যায়।

সরকারি প্রটোকল অনুযায়ী মন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিক আয়োজন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করার কথা। তবে এ ঘটনায় শহীদ মিনারে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনাও শুরু হয়। অনেকেই জেলা প্রশাসনের সমন্বয় ঘাটতি ও প্রটোকল অনুসরণ না করার প্রশ্ন তুলেছেন।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব তাজুল চৌধুরী বলেন, ‘প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় শুধু মন্ত্রী নন, উপস্থিত অনেকেই বিব্রত হয়েছেন।’ সাংস্কৃতিক সংগঠক শামীম আহমেদও একে সমন্বয়হীনতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান ভিপি আনিছ বলেন, ‘প্রটোকল অনুযায়ী আয়োজন না হওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কেন এমন হলো, তা খতিয়ে দেখা হবে।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, ‘মন্ত্রী হচ্ছেন সরকার, তাই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেই ফুল দেয়া হয়েছে।’ তবে পৃথক পুষ্পস্তবকের ব্যবস্থা না থাকার কারণ সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।