রাজবাড়ীর পাংশায় ঝালমুড়ির প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছর বয়সি এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ লুৎফর বিশ্বাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। ভুক্তভোগী শিশুর ফুফুর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ঝালমুড়ি দেয়ার কথা বলে অভিযুক্ত লুৎফর বিশ্বাস শিশুটিকে ধর্ষণ করে মর্মে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
গ্রেফতার লুৎফর উপজেলার জোনাপাট্টা এলাকার মরহুম আজাহার বিশ্বাসের ছেলে। সে পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই শিশু শিক্ষার্থী পাট্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত ব্যক্তি পূর্বপরিচয়ের সুবাদে শিশুটিকে বিভিন্ন সময় ঝালমুড়ি খাওয়াতেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে কোনো এক সময়ে ঝালমুড়ি দেয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিজের বসতবাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ধর্ষণে ঘটনা সম্পর্কে কাউকে না বলার জন্য শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর দুপুরে শিশুটি বাড়ি ফিরে এলে, তার মা তাকে গোসল করানোর সময় শরীরের বিভিন্ন স্থানে সন্দেহজনক আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। পরে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করে। এরপর শিশুটিকে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষা ও গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেখ মইনুল হোসেন জানান, পাট্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীর ফুফু শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে লুৎফরের বিরুদ্ধে মামলা করে। বুধবার দুপুরে মামলার আসামি লুৎফর বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


