নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনেই জামানত হারিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রার্থীরা

নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে অংশ নেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তবে প্রতিটি আসনেই প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল তুলনামূলকভাবে কম, যা জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেনি।

কামাল উদ্দিন সুমন, নারায়ণগঞ্জ

Location :

Narayanganj
নারায়ণগঞ্জের পাঁচ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পাঁচ প্রার্থী
নারায়ণগঞ্জের পাঁচ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পাঁচ প্রার্থী |নয়া দিগন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র (চরমোনাই পীরের দল) প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে পাঁচটি আসনেই দলটির প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন শেষে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে অংশ নেয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তবে প্রতিটি আসনেই প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল তুলনামূলকভাবে কম, যা জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেনি।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রার্থী মো: ইমদাদুল্লাহ পেয়েছেন সাত হাজার ১৮৬ ভোট। একইভাবে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মো: হাবিবুল্লাহ পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৬৫ ভোট। এই দুই আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সাথে ভোটের ব্যবধান ছিল অনেক বেশি।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে দলটির প্রার্থী গোলাম মসীহ তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি ভোট পেলেও তা ছিল ১৪ হাজার ২২৩, যা জামানত রক্ষার জন্য যথেষ্ট হয়নি। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মো: ইছমাঈল হোসেন কাউছার পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭৪৬ ভোট। আর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মুফতি মাসুম বিল্লাহ পেয়েছেন সাত হাজার ৭০৮ ভোট।

স্থানীয়ভাবে সাংগঠনিক দুর্বলতা, নির্বাচনী মাঠে সীমিত প্রচার ও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের অনুপস্থিতির কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত ভোট সংগ্রহে ব্যর্থ হয়েছে। যদিও দলটি বরাবরই নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান জানান দেয়ার চেষ্টা করে থাকে।

নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা হতাশা প্রকাশ করলেও ভবিষ্যতে সংগঠন শক্তিশালী করার ওপর জোর দেয়ার কথা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, এই ফলাফল নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র সীমাবদ্ধতাকেই আবারো স্পষ্ট করে তুলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।