ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে চট্টগ্রামের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে নিয়ম অনুযায়ী বাতিল হওয়া সকলেই প্রার্থীতা ফিরে পেতে আপিলের সুযোগ রয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) সংসদীয় আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) প্রার্থী আবদুল মোমেন চৌধুরীর হলফনামায় স্বাক্ষর না করা, আয়কর রিটার্ন দাখিল না করাসহ ফরম-২১ যথাযথভাবে পুরণ না করায় এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা: এ কে এম ফজলুল হক দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের ডকুমেন্ট দাখিল না করায় মনোনয়পত্র বাতিল করা হয়।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলন কান্তি শর্মার মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষরকারীদের মধ্য হতে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০ জনের কোনো তথ্য না পাওয়ায় এবং নাগরিক ঐক্যের মো: নূরুল আবছার মজুমদার ঋণ খেলাপী ও সিটি করপোরেশনের বিল খেলাপী এবং হলফনামার সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের মিল না থাকায় মনোনয়পত্র বাতিল করা হয়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) সংসদীয় আসনে দলীয় মনোনয়নে প্রদত্ত নমুনা স্বাক্ষর গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো: সেহাব উদ্দিন এবং এক শতাংশ সমর্থন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর মো: আজাদ চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্নফুলী) সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী মো: আলী আব্বাসের দলীয় মনোনয়ন না থাকায় এবং নিজেই নিজের প্রস্তাবকারী হওয়ায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া একই আসনে গণঅধিকার পরিষদের মো: মুজিবুর রহমান ঋণ খেলাপী হওয়ায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) সংসদীয় আসনে দ্বৈব চয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক শতাংশ ভোটারের সত্যতা না পাওয়ায় মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী ও মো: নুরুল আনোয়ারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) সংসদীয় আসনে তিন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সকলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) সংসদীয় আসনে মূল হলফনামায় ও অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর না করায় গণঅধিকার পরিষদের মো: আরিফুল হকের মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।



