তীব্র জ্বালানি তেলের সঙ্কটের পাশপাশি সাগরে মাছের আকালের মধ্যেই মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মধ্য রাত থেকে (১৫ এপ্রিল) থেকে ১১ জুন পর্যন্ত সাগরে এক টানা ৫৮ দিনের মাছ ধরার উপরে সরকারী নিষেধাজ্ঞা বলবৎ হচ্ছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের অধিকাংশ (হাজার হাজার) মাছ ধরার ট্রলার কূলে ফিরতেও শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ট্রলার বোট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।
এদিকে সন্ধায় জেলা মৎস্য অধিফতরের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, এবার মাছধরার ওপরে এক টানা ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ২৭ হাজার ৬৩১ জন জেলে ৭৭.৩৩ কেজি করে চাউল পাচ্ছেন।
এর মধ্যে মহানগরে ২ হাাজর ৫০৩ জন এবং উপজেলা পর্যায়ে পাচ্ছেন ২৫ হাজার ১২৮ জন জেলের প্রত্যেকেই ৭৭.৩৩ কেজি করে চাউল পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী আনোয়ারা ও জেলার ট্রলার মালিক ও জেলেরা জানান, গত প্রায় দেড় মাস ধরে জ্বালানি সঙ্কটে অধিকাংশ ট্রলার মাছ ধরতে বের হতে পারেনি।
জেলেরা দাবি করেছেন, চাউল বিতরণের সময় অনেক জেলেই সরকারি চাউল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বাঁশখালী শেখেরখীল ট্রলার মালিক সিমিতির সভাপতি এয়ার আলী নয়া দিগন্তকে জানান, তেল সঙ্কটে পড়ে এমনিতেই অনেক ট্রলার সাগরে মাছ ধরতে যেত পারেনি। এখন আবার টানা ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার পরেছি। এমনিতে সাগরের মাছের আকাল পড়েছে।
তিনি বলেন জেলেদের জন্য বরাদ্দ দেয়া চাউল বিতরণের অনেক অনিয়ম দেখা যায় এতে অন্তত ২০ শতাংশ প্রকৃত জেলে চাল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি চাল বিতরণে সকল অনিয়ম দূর করে প্রকৃত জেলেরা যেন সরকারি চাল পান সে আশা করেন।
বিকেলে যোগাযোগ করা হলে চট্টগ্রাম সামুদ্রিক মৎস্য আহরণকারী বোট মালিক সমিতির নেতা মো: জাহাঙ্গীর আলম নয়া দিগন্তকে বলেন, তেলের সঙ্কটে জেলার অভ্যান্তরীনসহ বিভিন্ন জেলার হাজার হাজার ট্রলারের অধিকাংশ ট্রলার মাছ ধরতে যেতে পারেনি। এখন আবার আসছে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা।



