নির্বাচনী সংঘর্ষ

শেরপুরের নিহত জামায়াত নেতার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মো: সাজ্জাতুল ইসলাম, ময়মনসিংহ

Location :

Mymensingh
নিহত জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম
নিহত জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম |সংগৃহীত

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা মাওলানা রেজাউল করিমের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ জানায়, নিহতের মাথার পেছনে থেঁতলানো জখমসহ কপাল ও নাকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ফরেনসিক বিভাগ সূত্রে জানানো হয়েছে, আঘাতজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে, বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা ইউনিয়নের বাসিন্দা, শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও একটি ফাজিল মাদরাসার প্রভাষক ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইগাতীতে সংঘাতের ঘটনায় ময়মনসিংহ মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোট তিনজন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে জামায়াতের দুজন ও বিএনপির একজন। তারা হলেন শ্রীবরদী পৌর জামায়াতের আমির মো: তাহেরুন ইসলাম ও জামায়াতের কর্মী আমিরুল ইসলাম এবং মো: সুজাউদ্দৌলা নামের ঝিনাইগাতীর একটি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনজনের শরীরে ইটের আঘাত আছে।

ময়মনসিংহ মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাঈনউদ্দিন খান জানান, এ ঘটনায় আহত তিনজন বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একজনের মাথায় আঘাত থাকায় তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এদিকে, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ শ্রীবরদীতে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহতের পরিবার এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেছে।