প্রাণচাঞ্চল্যে মুখরিত সৈকত

ঈদের চতুর্থ দিনে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল

কুয়াকাটার তিন নদীর মোহনা, লেবুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউ বাগান ও গঙ্গামতিসহ সব দর্শনীয় স্থানেই ছিল পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সাথে আনন্দঘন সময় কাটাতে দেখা যায় তাদের।

মিজানুর রহমান, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)

Location :

Patuakhali
সৈতকে পর্যটকরা
সৈতকে পর্যটকরা |নয়া দিগন্ত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের চতুর্থ দিনে পটুয়াখালীর অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় পর্যটকদের ঢল নেমেছে। সকাল থেকেই সৈকতের জিরো পয়েন্টে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দিনভর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো সৈকত এলাকা।

কুয়াকাটার তিন নদীর মোহনা, লেবুর বন, শুটকি পল্লী, ঝাউ বাগান ও গঙ্গামতিসহ সব দর্শনীয় স্থানেই ছিল পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সাথে আনন্দঘন সময় কাটাতে দেখা যায় পর্যটকদের। অনেকে সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে মিশে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন, আবার কেউ বালুকাবেলায় খেলাধুলা কিংবা সৈকতের বেঞ্চে বসে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করেন।

পর্যটকদের ভিড়ে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য। হোটেল-মোটেলগুলোতে শতভাগ বুকিং থাকায় পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদকে ঘিরে এমন পর্যটক সমাগম তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহায়ক হচ্ছে।

ঢাকা থেকে আগত পর্যটক লাবনী আক্তার বলেন, ‘দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক হওয়ায় কুয়াকাটায় বেড়াতে এসেছি। এখানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করে খুব ভালো লাগছে।’

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি সৈকতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসনও নজরদারি জোরদার করেছে।