বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরীর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, ‘শহীদ সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার নিয়ে কোনো টালবাহানা সিলেটের ছাত্র-জনতা মেনে নেবে না।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ সাংবাদিক এ টি এম তুরাবের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। শাহাদতের দুই বছর অতিবাহিত হলেও এই হত্যার বিচারে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।’
রোববার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ সাংবাদিক এ টি এম তুরাবের দ্বিতীয় শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে একজন সাংবাদিককে হত্যার বিচারে যদি এত ধীরগতি হয়, তাহলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত এক হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষের হত্যার বিচার কবে সম্পন্ন হবে— এ প্রশ্নের জবাব জাতি জানতে চায়। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’
মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর নায়েবে আমির ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আব্দুর রব, জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সিলেট মহানগর সভাপতি অ্যাডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, মহানগর জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মুকিত, ক্বারী আলা উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম মজুমদার, আজিজুল ইসলাম, শফিকুল আলম মফিক, শাহেদ আলী ও শামীম আহমদ প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের শহীদ তুরাবসহ সব জুলাই শহীদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
এ সময় তারা শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একইসাথে সভায় জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবি জানান বক্তারা।



