নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের গোলাহাট এলাকায় আগুনে পাঁচটি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলা শহরের এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে সূত্রপাত এই আগুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন, তুলা দোকানদার নওশাদ, ব্রয়লার মুরগী ব্যবসায়ী সুজন ইসলাম, দুধ ভান্ডারের মালিক আতাউর ইসলাম, পলিথিন বিক্রেতা মিন্টু ও ওয়েল্ডিং দোকানদার কালাম।
এলাকাবাসী জানায়, নওশাদের তুলার দোকানের বৈদ্যুতিক ওয়ারিংয়ে শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লাগে। এসময় তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বৈদ্যুতিক তার দিয়ে আগুন দ্রুত পুরো দোকানে ছড়িয়ে পড়ে এবং চারপাশে জ্বলতে থাকে। এতে চালের ও বেড়ার আগুনের ফুলকি নিচে পড়ে তুলা ও কাপড়ে লেগে তীব্র আকার ধারণ করে। পরে পাশের মিন্টুর পলিথিন দোকানে আগুন লাগলে ভয়াবহ রূপ নেয়। একারণে সুজনের ব্রয়লার মুরগী দোকান ও আতাউল ইসলামের দুধের দোকানও আগুনের কবলে পড়ে।
আগুনের লেলিহান শিখায় এই পাঁচটি দোকানের সব মালামাল মুহূর্তেই পুড়ে যায়। এতে আশপাশের আরো তিন থেকে চারটি দোকানের মালামাল সরিয়ে নিয়ে টিনের চাল ও বেড়া ভেঙে ফেলা হয়। ফলে সেগুলো আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অনেকটা রক্ষা পেয়েছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি ঘটনার সাথে সাথেই খবর দেয়া হলেও অনেক দেরি করেছে এবং তারা সাথে পানি নিয়ে না আসায় আগুন নেভানোর কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ক্ষতি বেশি হয়েছে।
এ ব্যাপারে সৈয়দপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবু হাশেম বলেন, ‘আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একইভাবে ক্ষতিপূরণ নিরুপণ সম্ভব হয়নি।’
এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘শেরে বাংলা সড়কে সংস্কার কাজ চলমান থাকায় আসতে বিলম্ব হয়েছে। আর রিজার্ভ পানি দিয়ে তো আর আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। পর্যাপ্ত পানি স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করার মতো উৎস না থাকায় একটু বেগ পেতে হয়েছে।’


