ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা মাত্র ৫ হাজার ১৫৮ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
একসময় রংপুরের গঙ্গাচড়া আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এবং মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পালন করা এই রাজনীতিকের এমন ফল স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৩ হাজার ৫৬১ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ২২২টি। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৮১টি।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, মোট বৈধ কাস্টিং ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবে রাঙ্গাসহ ৭ জন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।
এ আসনে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হাসান রাজীব প্রধান (ধানের শীষ)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট।
জামানত হারানো অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন শিহাব আহমেদ (ঘোড়া) ৭,৯৫৯ ভোট, মোহাম্মদ ফয়জুল করিম শাহরিয়ার (হাতপাখা) ২,২৪২, রেজাউল করিম সরকার (মোটরসাইকেল) ৮০৪, হাবিব মোহাম্মদ ফারুক (মোটরগাড়ি) ২২৬, আবু সালামা মো. রেদওয়ানুল হক (তালা) ১৯১ এবং শুভ আহমেদ (আনারস) ১৪৩ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিজয়ী ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অন্য কেউ ন্যূনতম ভোটের শর্ত পূরণ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাদের জামানতের টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে।



