ফেনী অফিস
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ফেনীর নদীভাঙন রোধে মুছাপুর রেগুলেটর ও ক্লোজার প্রকল্প পুনর্নির্মাণ করা হবে। এ প্রকল্পটি আগামী একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। দেশের উন্নয়নের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। এ দায়িত্ব সবার।
সোমবার দিনব্যাপী নিজের নির্বাচনী এলাকার দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর, রাজাপুর ও সিন্দুরপুর ইউনিয়নের মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন এবং সেগুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘আমাদের এলাকার বড় সমস্যা নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও সড়ক সংস্কার। দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকা উন্নয়নবঞ্চিত থাকায় ছোট-বড় সমস্যার শেষ নেই। আমি পর্যায়ক্রমে এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।’
তিনি বলেন, ‘এ এলাকার মানুষের প্রতি আমি ও আমার পরিবার আজীবন ঋণী। আপনারা আমার বাবাকে দুবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন এবং আমাকে এমপি নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের দোয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে মন্ত্রিসভায় রেখেছেন।’
এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্লাহ মানিক, বিএনপি নেতা হামিদুল হক, মুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, মাহবুবুল হক রিপন, কামরুল উদ্দিন ও নুরুল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দুপুরে দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পরিবেশমন্ত্রী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শহীদুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. কামরুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সানজিদা মাহবুব, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুজন কান্তি শর্মা, এলজিইডির প্রকৌশলী মাছুম বিল্লাহ, ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শিহাব আহমেদ, মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিরাজুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল, বিআরডিবির চেয়ারম্যান নজির আহমদসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মৎস্যচাষিদের মধ্যে পোনা এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।



