শ্রমিক নেতা মনসুর রহমানের জানাজায় মুজিবুর রহমান

ইসলামী ব্যাংকের কাঠামো পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে সাভার সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. মনসুর রহমানের জানাজায় অংশ নেয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

Location :

Savar
সাভার সরকারি কলেজ মাঠে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মনসুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়
সাভার সরকারি কলেজ মাঠে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মনসুর রহমানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় |নয়া দিগন্ত

সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি অভিযোগ করে বলেছেন, সরকার অন্যায়ভাবে ইসলামী ব্যাংকের বিদ্যমান ব্যবস্থাকে পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকে যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের অনেকেই বিএনপি ও ফ্যাসিবাদী শাসনামলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এভাবে ব্যাংকের কাঠামোগত পরিবর্তন করে ইতিবাচক ফল আসবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে সাভার সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. মনসুর রহমানের জানাজায় অংশ নেয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জানাজার নামাজে ইমামতি করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা এএনএম শামসুল ইসলাম। এতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।

উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. আফজাল হোসাইন, রাজনৈতিক সম্পাদক হাসান মাহবুব মাস্টার, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. তৌহিদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক লুৎফর রহমান মোল্লা, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আসাদুজ্জামান জীমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মো. মনসুর রহমান সোমবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

জানাজায় বক্তারা বলেন, মনসুর রহমান শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন এবং ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক শ্রমিক আন্দোলনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যুতে দেশ, জাতি ও শ্রমিক আন্দোলন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠককে হারিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।