ক্রান্তিকালে বিএনপি সবসময়ই জনগণের পাশে থাকে : বরকত উল্লাহ বুলু

‘জাতি ইতোমধ্যেই নির্বাচনের ট্রেনে উঠেছে, এখন আর কেউ তা থামাতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন।’

এমজেএইচ জামিল, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন |নয়া দিগন্ত

ক্রান্তিকালে বিএনপি সবসময়ই জনগণের পাশে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন। আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো দেশ ত্যাগ করেননি, কারণ বিএনপি সবসময়ই দেশের সঙ্কটকালে জনগণের পাশে থেকেছে। বিপরীতে হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে নিজের নেতাকর্মীদের ছেড়ে।’

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর রেজিস্ট্রি মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। নানা রঙের ফেস্টুন, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে সজ্জিত র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনারে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ‘জাতি ইতোমধ্যেই নির্বাচনের ট্রেনে উঠেছে, এখন আর কেউ তা থামাতে পারবে না। ইনশাআল্লাহ, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। যারা স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের কথা বলে, তাদের জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার নৈতিক অধিকার নেই। নির্বাচনবিরোধী সব ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করা হবে।’

মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী ও আরিফুল হক চৌধুরী এবং বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী।

বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, নাসিম হোসাইন, আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংকী, জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক পিপি, সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন (চাকসু), শাহাব উদ্দিন আহমদ, শাহজামাল নুরুল হুদা, শহিদ আহমদ (চেয়ারম্যান), মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, নাজিম উদ্দিন লস্কর, ইকবাল আহমদ, ফালাকুজ্জামান চৌধুরী জগলু, কামরুল হাসান শাহীন, সুরমান আলী, যুগ্ম সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, তাজরুল ইসলাম তাজুল, মামুনুর রশিদ মামুন, আনোয়ার হোসেন মানিক, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন, অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ, আবুল কাশেম, আব্দুল আহাদ খান জামাল, শাকিল মোর্শেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান, মুশিকুর রহমান মুহি, অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ডা: নাজমুল ইসলাম, সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল, সুদিপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, মাহবুব কাদির শাহী, অ্যাডভোকেট শাহ আশরাফুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সাদিক, নিগার সুলতানা ডেইজি, ডা: আশরাফ আলী, নুরুল মুমিন খোকন, আব্দুল হাকিম, আফজাল হোসেন, রহিম মল্লিক, মুফতি নেহাল, জাহাঙ্গীর আলম, মোতাহের আলী মাখন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, মূর্শেদ আহমদ মুকুল, শামীম মজুমদার, মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন, নেওয়াজ বক্ত তারেক, মাহবুবুল হক চৌধুরী, শুয়াইব আহমদ শোয়েব, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, রেজাউল করিম আলো, মন্জুরুল হাসান মন্জু, ফাতেমা জামান রোজি, নাদির খান, আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জাকির হোসেন মজুমদার, রফিকুল ইসলাম রফিক, দেওয়ান জাকির, খসরুজ্জামান খসরু।

অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের মকসুদ আহমদ ও মির্জা সম্রাট, স্বেচ্ছাসেবক দলের আফসর খান, মহিলা দলের তাহসিন শারমিন তামান্না, ছাত্রদলের সুদীপ জ্যুতি এষ ও দেলোয়ার হোসেন দিনার, জাসাসের তাজ উদ্দিন মাসুম ও রায়হান এইচ খান, শ্রমিক দলের আব্দুল আহাদ, নুরুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম জীবন।

সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা নুরুল হক।