জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে সকল সময়ে দেশের শিক্ষক জ্ঞানী-গুণী-বুদ্ধিজীবী শ্রেণীকে সম্মানিত করেছে।’
তিনি শনিবার (২০ জুন) বিকেলে বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসেসিয়েশন, উপজেলা পরিষদ ও বড়াইগ্রাম পৌরসভার উদ্যোগে আয়োজিত একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও প্রাচ্যকলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুস সাত্তারকে দেয়া গুণীজন সংবর্ধনা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বড়াইগ্রাম সরকারি অনার্স কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো: আফসার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে শিক্ষাবান্ধব বাজেট দিয়েছে। স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে ভালো বাজেট দিয়েছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার। এই বাজেট দেশের কৃষক শ্রমিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণের বাজেট। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যহত থাকবে।’
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত গুণীজন প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, বড়াইগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র ইসাহাক আলী, সাবেক প্রশাসক অ্যাডভোকেট শরীফুল হক মুক্তা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসাইন খান, জেলা বিএনপির সদস্য অধ্যক্ষ আশরাফ আলী, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বকর সিদ্দিক, বড়াইগ্রাম পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন, গুণীজন সংবর্ধনা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক শফীউল হাসান তিতু, সদস্য সচিব রাশিদুল ইসলাম রাশেদ বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে একুশে পদকপ্রাপ্ত বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ও প্রাচ্যকলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুস সাত্তারকে গুণীজন সংবর্ধনা দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সকল বক্তাসহ হাজার হাজার মানুষ ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলাকে ভাগ করে বড়াইগ্রাম ও বনপাড়া নামে দুটি পৃথক উপজেলা গঠনের দাবি জানান।
পরে প্রধান অতিথি হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু তার বক্তব্যে বড়াইগ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে কথা বলে বড়াইগ্রাম ও বনপাড়া নামে দুটি উপজেলা গঠনের প্রচেষ্টা চালাবেন বলে আশ্বস্ত করেন।
পরে অনুষ্ঠানে গায়ক মনির খানসহ জাতীয় ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।



