নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে অনিয়ম করার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
ভুক্তভোগী কিশোরগঞ্জের চাঁদখানা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মো: সহিদুল ইসলামের ছেলে মো: আব্দুল হালিম।
তিনি জানান, গত ২ নভেম্বর কিশোরগঞ্জ ইউএনও প্রিতম সাহা গ্রাম পুলিশ নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি আহ্বান করেন। বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে আবেদন করে শারীরিক ফিটনেস ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলে উত্তীর্ণ হন তিনি। গ্রাম পুলিশ নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া গত ৩ ফেব্রুয়ারি তার স্বাক্ষরিত ফলাফলে তাকে মনোনিত করেন।
নিয়োগপত্রের জন্য যোগাযোগ করলে ইউএনও অফিসের সহকারী ফুয়াদ ও মুকুল হোসেন তার কাছে চার লাখ টাকা দারি করেন। টাকা দিতে না পারায় পরবর্তীতে শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষায় অযোগ্য মজিদুল ইসলাম নামে একজনকে ইউএনও গোপনে নিয়োগ দেন।
আব্দুল হালিম বলেন, ‘ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার কাছে জানতে চাইলে আবেদনে ক্রটি থাকায় চাকরি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান তিনি। যাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সে তো শারীরিক যোগ্যতায় পাস করেনি জিজ্ঞাস করলে তখন তিনি জানান, এটি তাদের বিষয়।’
নিয়োগকৃত ব্যক্তির তথ্য চাইলে তথ্য দেয়া হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলেন জানান।’
সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনাসহ সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক চাকরিতে নিয়োগদান প্রদান ও ইউএনওর বিচারের দাবি জানান ভুক্তভোগী।
চাঁদখানা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান যাদু বলেন, ‘আব্দুল হালিম নামে একজন শারীরিক ফিটনেস ও মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে মনোনিত হয়েছেন। তিনি নিয়োগপত্রের আশায় ছিলেন এতকুটুই আমার জানা আছে। কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। কেউ যোগদান করতেও আসেনি।’
এ বিষয়ে বদলীকৃত ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়ার ফোনে একাধিকবার ফোন দেয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।



