লাউয়াছড়ায় সড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ, ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা সম্মিলিতভাবে কাজ করেন। সড়কটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা ও সিলেটগামী দূরপাল্লার বাস, পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাকসহ কয়েক শ’ যানবাহন আটকা পড়ে।

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

Location :

Sreemangal
সড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ, দীর্ঘ যানজট
সড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ, দীর্ঘ যানজট |নয়া দিগন্ত

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ সড়কের লাউয়াছড়ায় বনাঞ্চলে সড়কের ওপর একাধিক গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আঞ্চলিক ওই সড়কের উভয় পাশে কয়েক শ’ যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।

শনিবার (২ মে) দিনভর ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ের সময় বনাঞ্চলের গাড়িভাঙা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার তীব্রতায় সড়কের পাশে থাকা একাধিক গাছ উপড়ে সড়কের ওপর পড়ে। ফলে উভয় দিকের যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ অপসারণের কাজ শুরু করে। তবে বনাঞ্চলের ভেতরে অবস্থান, ভারী গাছের আকার ও উদ্ধার সরঞ্জাম পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় সড়ক সচল করতে কিছুটা সময় লাগে।

ঘটনাস্থলে বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় পুলিশ সদস্যরা সম্মিলিতভাবে কাজ করেন। সড়কটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা ও সিলেটগামী দূরপাল্লার বাস, পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাকসহ কয়েক শ’ যানবাহন আটকা পড়ে। এতে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক নয়া দিগন্তকে জানান, দুপুরের ঝড়ো বৃষ্টিতে একটি গাছ সড়কে পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বনকর্মীরা ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় গাছ অপসারণ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। পুরো প্রক্রিয়ায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগে।

তিনি আরো জানান, লাউয়াছড়া এলাকায় টানা সাত দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে খবর পাওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।

এদিকে শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানায়, শুক্রবার (১ মে) সকাল ৬টা থেকে শনিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে ১৭৩ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতের ধারা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।