নাফ নদী থেকে ১০টি গ্রেনেড ও ২৮ রাউন্ড তাজা গোলা উদ্ধার

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে টেকনাফের জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন লবণ মাঠ থেকে মাটির নিচে লুকায়িত অবস্থায় এইসব গ্রেনেড ও গোলা উদ্ধার করা হয়।

গোলাম আজম খান, কক্সবাজার অফিস

Location :

Cox's Bazar
উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলা ও গাঁজা
উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলা ও গাঁজা |নয়া দিগন্ত

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীর পাড় থেকে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০টি গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড তাজা গোলা ও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) দুপুরে কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো: মুত্তাকীন সিদ্দিকী এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে টেকনাফের জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন লবণ মাঠ থেকে মাটির নিচে লুকায়িত অবস্থায় এইসব গ্রেনেড ও গোলা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, উদ্ধার করা গ্রেনেডের মধ্যে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত হয় এমন দু’টি 36M Mk-I হ্যান্ড গ্রেনেড, আটটি 40 mm HEDP গ্রেনেড ও ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিলিমিটার তাজা গোলা ছিল। সেইসাথে দুই কেজি গাঁজাও জব্দ করা হয়।

এ সময় অস্ত্র ও মাদক পাচারকারীরা আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের আটকের জন্য কোস্ট গার্ডের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

এই কর্মকর্তা আরো জানান, একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ তাজা গোলা ও গ্রেনেড বাংলাদেশের সীমানা ব্যবহার করে পরিবহনের উদ্দেশ্যে মাটির নিচে মজুদ করছিল।

নাফ নদী ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, মানব পাচার ও অস্ত্র চোরাচালান এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশসহ তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিভিন্ন সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ অন্তঃকোন্দলের প্রভাব বাংলাদেশে বিস্তার রোধে সর্বদা সোচ্চার রয়েছে।