‘বিএনপির হাইকমান্ডের নির্দেশে ভরসা হারাগাছে তান্ডব চালিয়েছে।’ অভিযোগ করে রংপুর-৪ আসনের এমপি এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, ‘তারা একদিকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলবে শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ করবে অন্যদিকে মানুষের বাড়ি ঘর ভাঙচুর আসবাবপত্র স্বর্ণালংকার লুটপাট করবে, এটাই হলো তাদের নীতি।’ ঘটনার ১০ দিন হলেও প্রশাসন কাউকে গ্রেফতার না করে প্রশাসন নিরেপেক্ষতার ভান করে বিএনপিকে তুষ্ট করছে বলেও অভিযোগ করেনে তিনি।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ার) বিকেলে রংপুরের হারাগাছের বালারঘাটে নির্বাচনের পরের দিন হামলা ভাঙচুরে লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত এনসিপি নেতা সুমন রোবায়েত আরাফাত সহ ভাঙচুরকৃত নেতাকর্মীদের বাড়িঘর পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অভিযোগ করেন তিনি।
আখতার এমপি অভিযোগ করেন, ‘বিএনপির কর্মীরা ও ভরসার সন্ত্রাসীরা মানুষের পরিবারগুলোকে ভেঙে তছনছ করে দেয়। জীবন জীবিকার উপকরণগুলো আছে, সেগুলো তারা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এটাই হচ্ছে তাদের নীতি। তাদের এই নীতির কথা মানুষেরা জানত। এই কারণেই কাউনিয়া পীরগাছা হারাগাছের মানুষেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা শাপলাকলির পক্ষেই তাদের অবস্থান জানিয়েছে।’
আখতার অভিযোগ করেন, ‘হারাগাছের মানুষের নিরাপত্তা দায়িত্ব ভরসাকে নিতে হবে। কারণ ভরসার কারণেই এই হারাগাছ অনিরাপদ হয়ে গেছে এবং বিএনপিকেই নিতে হবে। বিএনপির হাইকমান্ডের প্রশ্রয়ে ভরসা এই সন্ত্রাস করার সুযোগ পেয়েছে। এই সন্ত্রাসী ভরসা এবং ভরসার সন্ত্রাসী বাহিনী, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয়, ১০দিন হয়ে গেছে, এখনো পর্যন্ত হারাগাছ পুলিশ অথবা রংপুর জেলা এবং মহানগরীর পুলিশ বা আর্মি তারা কোনো সন্ত্রাসীকে এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারে নাই। তারপরেও আমরা প্রশাসনের ভাইদের কাছে, প্রশাসনের কর্তাদের কাছে, পুলিশ বাহিনীর কাছে, সেনাবাহিনীর কাছে আমরা বিনীত কণ্ঠে আহ্বান জানাবো, এ হারাগাছে ভরসার সন্ত্রাসী বাহিনী যেসব বাড়িঘরে হামলা করেছে, সেসব বাড়িঘরে হামলার বিচার তাদেরকে করতে হবে। সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং একই সাথে যে ক্ষয়ক্ষতিগুলো হয়েছে সে ক্ষয়ক্ষতিগুলোর ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। আমাদের ভাইদের নিরাপদভাবে হারাগাছে অবস্থান করার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে।’



