রংপুরে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতান্ত্রিক উত্তরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিজস্ব স্বকীয়তায় সারাবিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিজয় দিবসের নানা আয়োজনে অংশ নিয়ে তারা একথা বলেন।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা বিয়াল্লিশ মিনিটে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আশরাফুল ইসলাম, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম ইসলাম, মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, ডিসি মোহাম্মদ এনামুল আহসান, এসপি মারুফাত হোসাইনসহ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
পরে উন্মুক্ত করা হয় শহীদ মিনার। বিভিন্ন শ্রেণি, পেশা এবং রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। সকাল ৯টায় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ৪৩টি সংগঠনের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য কুচকাওযাজ। এছাড়াও ডিসপ্লেতে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধ, জুলাই বিপ্লবসহ বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি ও উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে। পরে পুরস্কার বিতরণ করা হয় বিজয়ীদের মাঝে।
বেলা সাড়ে ১১টায় শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে দেয়া হয় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা। এ সময় তাদের হাতে ফুল ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন অতিথিরা। বেলা ১২টা থেকে রংপুর জিলা স্কুলে শুরু হয় তিনদিন ব্যাপী বিজয় মেলা।
এছাড়াও মধ্যরাতে বিএনপি, এনসিপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান শহীদ মিনারে। বেলা ১১টায় জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠন নগরীতে বিজয় মিছিল বের করে। প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে ৭১ এবং ২৪ এর আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন গ্রহণকারীরা।



