আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরমটি সংগ্রহ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ।
মনোনয়ন ফরম প্রদান করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শামসুন্নাহার ভূঁইয়া।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার, সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দাশুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম তুহিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হোসেন ডাবলুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে মাহবুবুর রহমান পলাশ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ায় বিএনপির জনভিত্তি সুদৃঢ়। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা কাজ করব।’
'''''''''''''''''''''''''''''''''
ঈশ্বরদীতে অ্যাম্বুলেন্সে মদ পরিবহন, আটক ৩
শহীদুল্লাহ খান, ঈশ্বরদী (পাবনা)
ঈশ্বরদীতে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে দেশীয় মদ পরিবহনের সময় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় মদ ও একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) মাদকসহ তাদের আটকের বিষয় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে পুলিশ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- পাবনা শহরের শালগাড়িয়া এলাকার মরহুম আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোরশেদ হাসান কিরণ (৩১), একই এলাকার জালাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (৩০) ও পাবনার সুজানগর উপজেলার আন্ধারকোট গ্রামের শ্রী মাধাই শীলের ছেলে শ্রী প্রশান্ত শীল (২২)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর রাতে ঈশ্বরদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: রাসেল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স এএসআই মো: আব্দুর রাজ্জাক, মো: বাবলু মোল্লা ও মো: রায়হান মিয়াসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
ওইদিন রাত পৌনে ৩টার দিকে ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট গোল চত্বরে চেকপোস্ট ডিউটি চলাকালে রুপপুর গ্রিনসিটি থেকে পাবনাগামী একটি সাদা রঙের অ্যাম্বুলেন্স (ঢাকা মেট্রো-চ-৫১-১৮৯০) সন্দেহ হলে সেটি থামানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সামনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভিং সিটে থাকা রাজ শেখকে জিজ্ঞাসাবাদ ও দেহ তল্লাশি করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা অ্যাম্বুলেন্সযোগে মাদকদ্রব্য পরিবহনের কথা স্বীকার করেন।
পরে অ্যাম্বুলেন্সের রোগী পরিবহনের সিটের নিচ থেকে ৪টি কাচের বোতল দেশীয় মদ, ৩টি টিনের ক্যান দেশীয় মদ ও ১টি সাদা প্লাস্টিকের বোতল (জিন) উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ।
আসামিরা জানায়, পাবনা সাঁথিয়ার সহযোগী আসামি তুষারের সহায়তায় তারা পরস্পর যোগসাজশে এসব দেশীয় মদ ক্রয় করে বিক্রয়ের উদ্দেশে পরিবহন করছিল।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুজ্জামান জানান, আটক তিনজন ও পলাতক সহযোগী আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে তাদের পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মাদকবিরোধী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।



