চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে তেলের সঙ্কটের অজুহাতে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে গ্যাসচালিত সিএনজি-অটোরিকশাগুলো। বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে যাত্রী-চালকদের মাঝে বাগবিতণ্ডা লেগেই থাকছে। তবে চালকদের জোরপূর্বক বাড়তি ভাড়া আদায় বন্ধে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই।
জানা গেছে, কর্ণফুলী থেকে আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত সিএনজি-অটোরিকশা ভাড়া ১০০ টাকার পরিবর্তে নেয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত ৪০ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এভাবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রত্যেক উপজেলায় চলছে বাড়তি ভাড়া আদায়। এছাড়া সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলো রিজার্ভ ভাড়ায় যাত্রীরা কোথাও নিতে চাইলে দেড় থেকে দ্বিগুণ বেশি টাকা দাবি করছে।
কর্ণফুলীর যাত্রী সালাউদ্দিন মুরাদ বলেন, ‘কর্ণফুলী থেকে আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত নিয়মিত ভাড়া ১০০ টাকা। গতকাল আমার কাছ থেকে নিয়েছে ২০০ টাকা।’
মিয়ার হাটের যাত্রী অলি আহমদ বলেন, ‘চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতুর নিয়মিত ভাড়া ৪০ টাকা। বর্তমানে তেল সঙ্কট ও ঈদের অজুহাতে ভাড়া নিচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ওরা কেনো বাড়তি ভাড়া আদায় করছে এসব ব্যাপার দেখার কেউ নেই।’
এ ব্যাপারে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম বলেন, ‘ট্রাফিক পুলিশের সাথে কথা বলে অটোরিকশার বাড়তি ভাড়া আদায়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
মইজ্জারটেক ট্রাফিক পুলিশের টিআই আবু সাঈদ বাকার বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে বাড়তি ভাড়া আদায়কারী সিএনজি-অটোরিকশা চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছি। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে আরো বড় পরিসরে করা হবে।’



