ঝালকাঠি থেকে সংবাদদাতা
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদীর নিজ জেলায় মহাসড়ক অবরোধের সাত ঘণ্টা পরে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) জুমার নামাজ শেষে দুপুর আড়াইটায় বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির কলেজ মোড় এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। পুলিশের অনুরোধে জনদুর্ভোগ কমাতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
অবরোধ কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরাসহ শিক্ষার্থী-জনতা অংশ নেন। এসময় মহাসড়কে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করে রাখা হয়।
ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের ইন্টারপুলের মাধ্যমে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা।
এসময় এনসিপির ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক মাইনুল ইসলাম মান্না, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝালকাঠি জেলা আহ্বায়ক আল তৌফিক লিখন, যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন ফেরদৌস ইফতি, সদস্যসচিব রাইয়ান বিন কামাল, গণঅধিকার পরিষদ ঝালকাঠি জেলা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঝালকাঠি-২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম সাগর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন ঝালকাঠি জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন ফেরদৌস ইফতি বলেন, ‘ওসমান হাদিকে গুলি করা দুর্বৃত্তদের ইন্টারপুলের মাধ্যমে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।’
সদর থানার ওসি (তদন্ত) বেলায়েত হোসেন বলেন, দুপুর আড়াইটায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির কলেজ মোড়ে অবরোধ করায় সড়কে বিপুল সংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ে। আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করলে তারা অবরোধ প্রত্যাহারে সম্মতি দেন। দীর্ঘ সাত ঘণ্টা পরে অবরোধ প্রত্যাহার করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।’



