পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান, এখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নির্বাচন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের দুটি সভায় উনার বক্তব্য এবং কথাগুলো শোনার সুযোগ হয়েছে। উনি বড় একজন পাহারাদার হিসেবে দেশের জন্য কাজ করবেন বলে আমার বিশ্বাস এবং মনে হয়েছে। উনি সততাকে বেশি মূল্যায়ন করবেন বা করছেন। প্রথম দিন থেকেই উনি প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়-মন্ত্রী ও ডিপার্টমেন্টের ব্যাপারে একটিভ।’
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য।
এ সময় তিনি আরো বলেন, কোনো রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে, দলীয় প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ, সাধারণ ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবে- এই সুযোগ থাকবে না। আমার ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব, এটা একটা আমানত। এই কঠিন দায়িত্ব পালনের জন্য আমি সজাগ এবং সতর্ক আছি।
তিনি বলেন, ৫ দিন হয়েছে আমরা শপথ নিয়েছি। বিএনপি সরকার দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিরোধী দলের যারা রয়েছেন, আমরা আশা করেছিলাম যেদিন আমরা শপথ নেবো, সেদিন বিরোধীদল উপস্থিত থাকবেন। আশা করেছিলাম, তারা আমাদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন। প্রথমদিন থেকেই আমরা সেই আশা নিয়ে বসে আছি এবং সামনের দিনগুলোতেও থাকবো। একটা সরকার শপথ নেয়ার মধ্য দিয়ে তাদের কর্মকাণ্ড শুরু হয়। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য যে যুদ্ধ, দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা-আকাঙ্ক্ষা, আন্দোলন-সংগ্রাম, সেদিন যদি উনারা উপস্থিত থাকতেন, তাহলে ভবিষ্যতের গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া সুন্দর হতো। হয়তো অতটুকু চিন্তা উনারা করেননি। কিন্তু এখন থেকে চিন্তা করতে হবে বিরোধী দলকে।
লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আ হ ম মোশতাকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম পাবেলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ননী গোপাল ঘোষ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জেড এম ফারুকী ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ।



