ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভুঞা ইউনিয়নের রামানন্দপুর গ্রামে সন্ত্রাসীদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত সুমিত দাসের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে তার বাড়িতে গিয়েছেন ফেনী-৩ (দাগনভুঞা-সোনাগাজী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ডা: ফখরুদ্দিন মানিক।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে তিনি রামানন্দপুর গ্রামে সুমিতের বাড়িতে যান। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। এ সময় নিহতের স্বজনদের কান্নায় ওই এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এ সময় সুমিত দাসের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়ে ডা: ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, ‘সুমিত দাসের এই অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। একটি নিরপরাধ প্রাণ এভাবে ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। প্রশাসনকে ঐক্যবদ্ধভাবে অভিযানে নেমে এই দুষ্কৃতকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন স্বজন হারানোর বেদনায় নীল হতে না হয়। আমি প্রশাসনের কাজের অগ্রগতি জানা ও দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জেলা প্রশাসক মনিরা হক ও দাগনভূঞা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়জুল আজীম নোমানের সাথে কথা বলেছি। আমরা এই শোকের মুহূর্তে আপনাদের পাশে আছি। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুমিত দাসের পরিবারের পাশে থাকবে।’
তিনি সুমিত দাসের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন জামায়াত নেতৃবৃন্দকে সুমিতের পরিবারের খোঁজ খবর রাখার জন্য অনুরোধ করেন।
পরিদর্শনকালে ডা: ফখরুদ্দিন মানিকের সাথে দাগনভুঞা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গাজী সালেহ উদ্দিন , মাতুভুঞা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল আমীন সহ স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে দাগনভূঞা থানাধীন সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর এলাকার মুহুরী বাড়ির পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন একটি নিচু জমি থেকে সুমিতের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে দাগনভুঞা থানা পুলিশ।
নিহত সুমিত দাস মাতুভুঞা ইউপির রামানন্দপুর গ্রামের জেলে বাড়ির কার্তিক দাস ও রিনা রানী দাসের ছেলে। নির্মম এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।



