সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ফরিদপুর জিলা স্কুল, রাজেন্দ্র কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামের কৃতী সন্তান, সাবেক সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদা (ভুলু), সিএসপি-এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (৫ জুলাই)।

কাজী আফতাব হোসেন, নগরকান্দা (ফরিদপুর)

Location :

Nagarkanda
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ |নয়া দিগন্ত

ফরিদপুর জিলা স্কুল, রাজেন্দ্র কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজুলী গ্রামের কৃতী সন্তান, সাবেক সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ টি এম শামসুল হুদা (ভুলু), সিএসপি-এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (৫ জুলাই)।

তার বাবা মরহুম আবদুর রাজ্জাক (যিনি দারোগা হিসেবে পরিচিত ছিলেন)। শামসুল হুদার মূল বাড়ি নগরকান্দা হলেও ফরিদপুরের কমলাপুরের ডিআইবি বটতলা এলাকায় তাঁদের পৈতৃক নিবাস রয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। অবসর জীবনে তিনি ঢাকায় বসবাস করছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিভাগে এম এ-তে তিনি প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এরপর অল্প কিছু দিন রাজেন্দ্র কলেজে অধ্যাপনাও করেন।

তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক স্মৃতিকথা রচনা করে গেছেন, যে গ্রন্থে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রয়েছে। ফরিদপুর জিলা স্কুলের ছাত্র থাকা অবস্থায় তিনি ‘স্বাপ্নিক’ নামে একটি শিশুতোষ সংকলন এবং পরবর্তীতে রাজেন্দ্র কলেজের ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেন।

১৯৬৬ সালে তিনি পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে (সিএসপি) যোগ দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে অন্তর্ভুক্ত হন এবং ২০০০ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি বাগেরহাটের মহকুমা প্রশাসক (এসডিও), পানিসম্পদ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন এবং ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার গুলশানে তার বর্তমান বাসভবনে এবং ফরিদপুরের পৈতৃক বাড়িতে কোরআনখানি, মিলাদ মাহফিল ও কাঙালি ভোজের আয়োজন করা হয়েছে।