বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি ও ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ হায়দার রহমান জয় (২০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার পুলিশ।
রোববার (২৫ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইল থেকে জয়কে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে তার চাচাতো ভাই ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বেড়াডোমা গ্রামের আনিছুর রহমান নাহিদের ছেলে হায়দার রহমান জয় (২০) ও শাকিল আহমেদসহ অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৭ মে রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় বাদি জানতে পারেন যে, আসামিরা ০১৭০৪-৫৫৩০৫৫ মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে। নিজেদের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ এবং সংসদ সদস্যের মনোনয়ন পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাঁদা দাবি করে আসছিল। অভিযুক্তরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে সাইবার স্পেসে এই প্রতারণা চালায় এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রূপ ধারণ করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে তদবিরের কথা বলে অর্থ দাবি করছিল।
মামলার বাদি নূর-এ-শাহাদাৎ স্বজন জানান, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে তিনি নিজেই এই প্রতারণার বিষয়টি আমাকে জানান। সেই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলার আসামিদের সাথে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। ভবিষ্যতে তার নাম ভাঙিয়ে বড় ধরনের ক্ষতি সাধিত হতে পারে বলেও আমরা আশঙ্কা করছি। এ ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি।’
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান সোমবার জানান, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দার রহমান জয়কে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামি শাকিলকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’



