বরিশালে স্বাস্থ্য খাতের কর্মশালায় সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বিদ্যমান বাজেট, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে অতিরিক্ত কোনো বরাদ্দ ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবার মান কমপক্ষে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

Location :

Barishal

বরিশাল ব্যুরো
বরিশালে ‘সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি, ওপেন এসআরপি ও স্বাস্থ্য কর্মসূচি’ বিষয়ক বিভাগীয় পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

শুক্রবার নগরীর হোটেল গ্র্যান্ড পার্কের সাউথ গেট হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে ইউনিসেফ। পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), গ্যাভি এবং গেটস ফাউন্ডেশনও সহায়তা দেয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বিদ্যমান বাজেট, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে অতিরিক্ত কোনো বরাদ্দ ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবার মান কমপক্ষে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

তিনি বলেন, শুধু নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করলেই স্বাস্থ্য খাতের সমস্যার সমাধান হবে না। রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এ জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা, সততা ও আন্তরিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সমন্বিত কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট, ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড এবং সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. প্রবাথ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

কর্মশালায় বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা অংশ নেন এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।