টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা বাড়ছে, হচ্ছে জাতীয় সেন্টার

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্দেশ্য কাউকে বন্দি করে রাখা নয়; বরং শিক্ষা, সংশোধন ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

মো: আজিজুল হক, গাজীপুর মহানগর

Location :

Tongi
পর্যালোচনা সভা
পর্যালোচনা সভা |নয়া দিগন্ত

টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রকে জাতীয় পর্যায়ের কেন্দ্রে উন্নীত করার পাশাপাশি এর ধারণক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে শিশুদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সাথে কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর শিশুদের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে চিকিৎসা ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা আরো জোরদার করা হবে।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর কলেজগেট এলাকায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, কেন্দ্রের নতুন ভবনের নির্মাণকাজের মান এবং শিশুদের সার্বিক পরিবেশ তিনি পরিদর্শন করেছেন। শিশুদের সাথে কথা বলে খাবারের মান নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ‘শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্দেশ্য কাউকে বন্দি করে রাখা নয়; বরং শিক্ষা, সংশোধন ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী হতে পারবে।’

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘ভবঘুরেদের জন্য সরকারের পৃথক প্রশিক্ষণ ও আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। তবে শুধু আইন, পুলিশ বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়। মাদকাসক্তি, নারী নির্যাতন ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলাই সবচেয়ে কার্যকর পথ।’

পরিদর্শনকালে মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) তানিয়া তাবাসসুম, গাজীপুর জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপপরিচালক মুহাম্মদ মতিয়ার রহমান এবং শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক)-এর তত্ত্বাবধায়ক ইমরান খান উপস্থিত ছিলেন।