নেত্রকোনায় মাদরাসার এক শিশুছাত্রীকে ধর্ষণ এবং এতে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহসিনা ইসলাম এ আদেশ দেন।
পুলিশ অভিযুক্ত আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের আদেশ মঞ্জুর করেন।
এর আগে, বুধবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে র্যাব-১৪। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে আসামিকে নেত্রকোনা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সন্ধ্যায় মদন থানা পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করে।
অভিযুক্ত সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০২২ সালে ওই গ্রামে হয়রত ফাতেমাতুজ যাহরা নামে একটি মহিলা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করে এর পরিচালক হন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের শেষের দিকে ওই শিক্ষক নির্জন কক্ষে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। একইসাথে ধর্ষণের কথা কাউকে না বলার জন্য হুমকিও দেন।
গত ১৮ এপ্রিল ওই শিক্ষক গা-ঢাকা দেন। গত ২৩ এপ্রিল ওই শিক্ষককে আসামি করে শিশুটির মা ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বার কথা উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মদন থানায় মামলা করেন।



