দোয়ারাবাজারে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলার দ্বিতীয় আসামি গ্রেফতার

১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রধান আসামি অমল দাস ভিকটিমকে ফোন করে সুনামগঞ্জ শহরের ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্পে ডেকে নেন। এ সময় তার মামার বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী ওই নারীকে সিএনজিতে উঠায়।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা

Location :

Dowarabazar
গ্রেফতার ধর্ষণ মামলার আসামি আঙুর মিয়া
গ্রেফতার ধর্ষণ মামলার আসামি আঙুর মিয়া |নয়া দিগন্ত

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দ্বিতীয় আসামি আঙুর মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-৯, সিলেটের মিডিয়া অফিসার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ। এর আগে, শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আঙ্গুর মিয়া দোয়ারাবাজার উপজেলার উলুকান্দি গ্রামের মরহুম আহাদ আলীর ছেলে।

এর আগে, একই গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি উপজেলার ডুমবন্দ এলাকার বাসিন্দা পরলোকগত শৈলেন দাসের ছেলে অমল দাসকে (৪০) সুনামগঞ্জ পৌর শহর থেকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। গ্রেফতার-পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে আসামিদের দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীর সাথে মনোমালিন্যতার কারণে চার বছর ধরে স্বামী থেকে আলাদা হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রধান আসামি অমল দাস ভিকটিমকে ফোন করে সুনামগঞ্জ শহরের ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্পে ডেকে নেন।

এ সময় তার মামার বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী ওই নারীকে সিএনজিতে উঠায়। সিএনজিতে করে দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে বেশ কয়েকজন সারারাত ধরে একাধিকবার জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে ভিক্টিমকে। পরে তাকে একটি খড়ের ঘরে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরদিন (১৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে তিনি অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজে দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।