মাদারীপুরে কদর বেড়েছে মৌসুমী ফলের

বারোমাসই বিভিন্ন রকমের ফল পাওয়া যায় মোস্তাফাপুরের আড়তে। সরবরাহ ভালো থাকলে দাম কম থাকে, ফলের সঙ্কট দেখা দিলে মাঝে মাঝে দাম বেড়ে যায়। পাইকারদের থেকে কখনোই বাড়তি দাম রাখা হয় না।

মাদারীপুর প্রতিনিধি

Location :

Madaripur
মৌসুমী ফলের আড়ত
মৌসুমী ফলের আড়ত |নয়া দিগন্ত

মাদারীপুরে কদর বেড়েছে মৌসুমী ফলের। ভোরের আলোর ফোটার সাথে সাথে পাইকারি ফলের আড়তে শুরু হয় কেনাবেচা। সরবরাহ ভালো থাকায় দামও নাগালের মধ্যে, খুশি পাইকাররা।

জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশে মাদারীপুরের মোস্তফাপুর ফলের আড়ত। এ আড়তে যশোর, ঝিনাইদহ, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা আসেন ফল কিনতে। আড়তে সারিবদ্ধভাবে সাজানো রয়েছে তরমুজ, ফুটি, আনারসসহ রসালো নানা মৌসুমী ফল।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রকারভেদে প্রতিপিস তরমুজ পাইকারী বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। আর প্রকারভেদে প্রতিপিস আনারস ১৮ থেকে ২৫ টাকা, প্রতিপিস ফুটি ৩০ থেকে ৬০ টাকা ও প্রতিকেজি পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৬০ টাকায়। এছাড়া পাওয়া যাচ্ছে আপেল, খেজুর, আঙ্গুর, কমলাসহ বিভিন্ন রকমের ফল।

পাইকারা বলছেন, দাম স্বাভাবিক থাকায় চাহিদা বেড়েছে।

অন্যদিকে আড়তদাররা জানিয়েছেন, মৌসুমের শুরুতে ফলন ভালো হওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রয়েছে দাম।

কুষ্টিয়া থেকে আসা পাইকার জলিল ফকির বলেন, ‘আশপাশের জেলার থেকে মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে অল্প দামে ফল পাওয়া যায়। এখান থেকে ফল কিনে স্বাচ্ছন্দ্যে বিক্রি করা যায়, লাভও বেশি হয়। প্রতিবছর মৌসুমের ফলগুলো কয়েক বছর ধরে এখান থেকে কিনেনি। পরে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করি।’

কয়েকজন আড়তদার জানান, বারোমাসই বিভিন্ন রকমের ফল পাওয়া যায় মোস্তাফাপুরের আড়তে। সরবরাহ ভালো থাকলে দাম কম থাকে, ফলের সঙ্কট দেখা দিলে মাঝে মাঝে দাম বেড়ে যায়। পাইকারদের থেকে কখনোই বাড়তি দাম রাখা হয় না।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব জানান, তরমুজসহ বিভিন্ন ফলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। দাম বেশি রাখলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।