পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে পদ্মা নদীতে ট্রলার দুর্ঘটনার ২২ ঘণ্টা পরও ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলাম রকির সন্ধান মেলেনি। তাকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালালেও শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৫ নম্বর পিলারের সাথে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারের ধাক্কা লাগে। এতে রাকিবুল ইসলাম রকিসহ তিনজন নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মো. লিটন (৩৮) ও মো. ওয়াহাব (৪৫) নামের দুজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। তবে রকি নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ রাকিবুল ইসলাম রকি ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌরসভার কবিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি শৈলকূপা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কাতলাগাড়ী গড়াই নদী থেকে ঈশ্বরদীর রূপপুর পর্যন্ত নৌভ্রমণে যান রকি। পরে ফেরার পথে পাকশী এলাকায় পদ্মা নদীতে থাকা হার্ডিঞ্জ ব্রিজের একটি পিলারের সাথে ট্রলারটির ধাক্কা লাগে। এতে রকিসহ কয়েকজন নদীতে ছিটকে পড়েন।
লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর তিনজন নিখোঁজ হন। নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে অভিযান চালানো হলেও শনিবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে দিনের উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশের তত্ত্বাবধানে ঈশ্বরদী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিখোঁজ রাকিবুল ইসলাম রকির জীবিত বা মৃত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।


