ঈদযাত্রাকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা। দুর্ঘটনায় এক দিনে সাত জেলায় নিহত হয়েছেন ১২ জন। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জে তিনজন, বরিশালে তিনজন, সাতক্ষীরায় দুইজন, খুলনায় একজন, ফরিদপুরে একজন, জামালপুরে একজন ও চাঁদপুরে একজন নিহত হয়েছেন।এসব ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব নিহতের ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার সিআরবিসি এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হন। নিহতরা হলেন ফিরোজ মাহমুদ, তার স্ত্রী মনিয়া বেগম ও তাদের শিশুকন্যা জান্নাত। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা বাসটিতে ভাঙচুর চালায় এবং মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তেতুলিয়া এলাকায় পিকআপভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই চাচাতো ভাই নিহত হন। তারা হলেন নাসিম আলী ফকির ও মেহেদী হাসান ফকির। ঘটনাস্থলেই একজন এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে আরো একজন নিহত হন।
খুলনা
খুলনার কয়রায় কোরবানির পশুবাহী নসিমন উল্টে মিজানুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হন। এ ঘটনায় তার সাত বছরের শিশুপুত্রসহ আরো তিনজন আহত হয়েছেন।
ফরিদপুর
ফরিদপুর সদরের ব্রাহ্মণকান্দা এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মিম খাতুন নামে এক নারী নিহত হন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
জামালপুর
জামালপুর সদরের ছোট জয়রামপুর এলাকায় বালুবাহী ড্রামট্রাক ও পিকআপভ্যানের সংঘর্ষে পথচারী রত্না ভানু নিহত হন। আহত হয়েছেন পিকআপচালক রিপন।
চাঁদপুর
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় মিম আক্তার নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। সড়ক পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হয় শিশুটি।



