চুয়াডাঙ্গায় রমজান উপলক্ষে সুলভমূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন

উদ্বোধনের প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। নির্ধারিত মূল্যে প্রতি পিস ডিম বিক্রি করা হয় সাড়ে ৮ টাকায়, দুধ ৭৫ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি ও সোনালী মুরগি ২৭৫ টাকা কেজি দরে।

হুসাইন মালিক, চুয়াডাঙ্গা

Location :

Chuadanga
উদ্বোধনী বক্তব্য রাখছেন ডিসি, (ডানে) সুলভমূল্যে পণ্য সংগ্রহ করছেন সাধারণ জনতা
উদ্বোধনী বক্তব্য রাখছেন ডিসি, (ডানে) সুলভমূল্যে পণ্য সংগ্রহ করছেন সাধারণ জনতা |নয়া দিগন্ত

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় সুলভমূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চুয়াডাঙ্গা কোর্ট মোড় সংলগ্ন একটি ভ্রাম্যমাণ স্টোরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মনিরুল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: সাহাবুদ্দিন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জেলা প্রশাসন ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।

উদ্বোধনের প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। নির্ধারিত মূল্যে প্রতি পিস ডিম বিক্রি করা হয় সাড়ে ৮ টাকায়, দুধ ৭৫ টাকা কেজি, গরুর মাংস ৭০০ টাকা কেজি ও সোনালী মুরগি ২৭৫ টাকা কেজি দরে। তবে বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এসব পণ্যের মূল্য কিছুটা কমবেশি হতে পারে বলে জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর জানিয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রমজান মাসে দুধ, ডিম, মাংস ও মুরগিসহ প্রাণিজাত পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। অনেক নিম্ন ও মধ্যআয়ের পরিবারের জন্য এ সময় বাজারমূল্যে এসব পণ্য কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সুলভমূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রির এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তারা আরো বলেন, সরকারের নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাবেন, অন্যদিকে বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাসজুড়ে জেলার নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে পর্যায়ক্রমে এ ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সাধারণ মানুষ যাতে সহজেই ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় প্রাণিজাত পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তদারকি অব্যাহত থাকবে।